পোস্টগুলি

“জাতীয় শোক দিবস”

ছবি
“জাতীয় শোক দিবস” আজ রক্তঝরা ১৫ আগস্ট -
 কেঁদেছিল আকাশ, ফুঁপিয়ে ছিল বাতাস। বৃষ্টিতে নয়, ঝড়ে নয়- এ অনুভূতি ছিল শোকের। পিতা হারানোর শোক। প্রকৃতি কেঁদেছিল; কারণ মানুষ কাঁদতে পারেনি। ঘাতকের উদ্ধত সঙ্গিন তাদের কাঁদতে দেয়নি। কিন্তু ভয়ার্ত বাংলার প্রতিটি ঘর থেকে এসেছিল চাপা দীর্ঘশ্বাস। কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর- সেই রাত।
 ভুলতে চায়নি, ভুলতে পারবে না। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অশ্রুভেজা, কলঙ্কময় রাতের কথা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের কথা। যে রাতে স্ত্রী-সন্তানসহ সপরিবারে নিহত হয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বছর ঘুরে রক্তের কালিতে লেখা সে দিন-রাত আবার ফিরে এসেছে।
কবি শামসুর রাহমানের সঙ্গে উচ্চারিত করি_ 'ধন্য সেই পুরুষ, যার নামের উপর রৌদ্র ঝরে/চিরকাল গান হয়ে/নেমে আসে শ্রাবণের বৃষ্টিধারা/যার নামের উপর কখনো ধুলো জমতে দেয় না হাওয়া/ধন্য সেই পুরুষ যার নামের উপর ঝরে/মুক্তিযোদ্ধাদের জয়ধ্বনি।'
 ১৯৭৫ সালের এদিন স্ত্রী বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রা…

“দিনাজপুর অাসন নং ৬”

ছবি
দিনাজপুর : - অাসন নং ৬ -----------------------তথা বিরামপুর,যোড়াঘাট,নবাবগঞ্জ,হাকিমপুর এই চারটি থানা মিলিয়ে দিনাজপুর ৬ নং অাসন গঠিত ।
এই শোকের মাসে চার থানার- অাওয়ামলীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে সকল নেতা/কর্মী/শুভাকাঙ্খী সকলকে জানাই অামার প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও সালাম ।
অামরা প্রতি ধাপে-ধাপে ধোকা খাচ্ছি প্রতিনিধী নির্ধারনে ।
অামরা ত্যাগী নেতা নির্ধারনে বার-বার ভূল করছি, দেখেন কোন নেতা সৈরাচার
সরকার পতনের জন্য কয়েক বার জেল খেটেছে । সে সময় অনেক নেতাকে মেরেও ফেলা হয়েছিল। ৯৫/৯৬ সরকার পতনের অান্দোলনে কোন নেতা মাঠে ছিল , নিতীতে যিনি অাটল ।
অাজ সকলে হাব্রিড নেতা হয়েছে।
এ সকল হাইব্রিড নেতাকে ত্যাগ করতে হবে। এ সব হাইব্রিড নেতারা অাবার নিজেদের স্বার্থে নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে । এরা সুযোগ সন্ধানী ,যেদিক পানি -সে দিক ছাতা। সুযোগ পেলে এরা বাংলাদেশও কেউ বিক্রি করবে!
এরা অাবার স্বতন্ত্র নির্বাচন করে যখন নমিনেশন পায়না ।
অনেকে অাবার বসন্তের কুকিল - বসন্ত এলে এদের প্রার্দূরভাব ঘটে ।
বিগতো নির্বচনে তারই প্রতিফলন !
যে সব নেতা বা তার পরিবার থেকে যে কেউ নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে বা কোন সময় করেছে স…

“ শওন রাতে যদি ”

ছবি
“শাওন রাতে যদি” শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে।।
ভুলিও স্মৃতি মম নিশিথ স্বপন সম।
আঁচলের গাথা মালা ফেলিও পথ পরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে।।
ঝরিবে পূবালী বায় গহন দূর বনে রহিবে চাহি তুমি একেলা বাতায়নে
বিরহী কুহু কেকা গাহিবে নীপ শাঁখে যমুনা নদী পাড়ে শুনিবে কে যেন ডাকে।
বিজলী দ্বীপ শিখা খুঁজিবে তোমায় প্রিয়া দু’হাতে ঢেকো আঁখি যদি গো জলে ভরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে।।

“এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়! ”

ছবি
এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়! এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়-
নয়-তো-জীবনের হাসি-গান মেলা।
এ-শুধু ফুলে তরে,ফুলের পাঁহাড় গড়ে-
গড়ে তোলা স্বপ্নের ধ্যান ভেঙ্গে ফেলা।
এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়-
নয়-তো-জীবনের হাসি-গান মেলা।
এ-শুধু ফুলে তরে,ফুলের পাঁহাড় গড়ে-
গড়ে তোলা স্বপ্নের ধ্যান ভেঙ্গে ফেলা।
এ-তো-নয়-সবুজ দ্বীপের মাঝে হালাকা-
হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো।
এ শুধু নিজের -মনের কাছে-
নিজেকে এড়ানো ।
এ-তো-নয়- সবুজ দ্বীপের মাঝে হালকা-
হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো।
এ-শুধু নিজের মনের কাছে-
নিজেকে এড়ানো।
এ শুধু তুফানি বরষা রাতে-পাগলা নদীর-
মতো পাড় ভাঙ্গা খেলা।
এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়-
নয়-তো- জীবনের হাসি-গান মেলা ।
এ-শুধু ফুলের তরে,ফুলের পাহাড় গড়ে-
গড়ে তোলা স্বপ্নের ধ্যান ভেঙ্গে ফেলা ।
এ-তো- নয় সহজ হৃদয়টাকে -
পদ্ম ফুলের মতো সাজানো।
এ-শুধু মনের ছেড়া তারে-বে-সুর- বাজানো।
এ-তো- নয় সহজ হৃদয়টাকে -
পদ্ম ফুলের মতো সাজানো।
এ-শুধু মনের ছেড়া তারে-বে-সুর- বাজানো।
এ-শুধু নিজেকে-একেলা করে সহ্য করে-
যাওয়া শত অবহেলা ।
এক ঝাঁক পাখী অার এক রাস ফুল নয়-
নয়-তো-জীবনের হাসি-গান মেলা।
এ-শুধু ফুল…

“আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ ”

ছবি
“আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ ” আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ কথা, সুর ও কণ্ঠ : নচিকেতা অ্যালবাম : মুখোমুখি 
আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ বাবু, কিছুই জানি না। এই এদেশের রঙ তামাশা কিছুই বুঝি না। আজকে যিনি দক্ষিণেতে কালকে তিনি বামের, আজকে যিনি তেরঙ্গাতে কাল ভক্ত রামের।
কে যে কখন কার পেছনে, বুঝি না কে খাঁটি, আসলে সবাই সবার পেছনেতে, সবার হাতেই কাঠি! কথায় কথায় ধর্মঘট আর সবাই ধর্মঘটি, অধার্মিকের ধর্মজ্ঞানে, স্লোগান আর স্লোগানে- গোলক ধাঁধায় ঘুরে আমার হারিয়ে গেছে ঘটি!
মন্ত্রীরা সব হারামজাদা, আস্ত বদের ধাড়ি, তুড়ুক নাচে, মন্ত্রিসভা এখন বাঈজী বাড়ি। আজকে যিনি কয়লা মন্ত্রী কালকে তিনি শিক্ষা, তাই, কয়লাকালো শিক্ষা নিয়ে মানুষ করে ভিক্ষা।
আর মানুষ শালাও মাথা মোটা, ভোট দিতে যায় নেচে, দেশের মানুষ তো কোন ছার, মন্ত্রী গুলো কুলাঙ্গার; ভালো দাম পেলে এরা বাপকেও দেবে বেচে!

" বিরহের বাণী "

ছবি
" বিরহের বাণী " 

“দুঃখের মাঝেও একটা সুখের অনুভূতি থাকে, তা হয়তোবা সুখে থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারবেনা। কারণ মানুষ দুঃখে থেকে সুখকে উপলদ্ধি করতে পারলেও সুখে থেকে কিন্তু কেউ দূঃখকে সেভাবে উপলদ্ধি করতে পারেনা। আর মানুষ যখন কষ্টের মাঝে সুখকে কল্পনা করে তখন তার মনে যে অনুভূতির সৃষ্টি হয় তা কখনও কখনও সুখের চেয়েও ___ “হয়তোবা মাঝে মাঝে কিছু ভুল করে বসি
তাই বলে এই নয় যে আমি পচে গেছি
আমি যেমন ছিলাম তেমনি আছি
শুধু সময়ের সাথে বদলে গেছ তুমি”।
___  “পৃথিবীতে কঠিন বাস্তবের মধ্যে একটি বাস্তব হলোঃ মানুষ যখন সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌছায় আর তখনই তার প্রিয় মানুষটি হারিয়ে যায়”। ___  “কষ্ট কখনও কাউকে কষ্ট দেয় না সুখ ই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই সুখের পিছনে ঘুরে সময় নষ্ট করা মানে দুঃখকে আমন্ত্রণ জানানো ছাড়া আর কিছু নয়”। ___  “পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো এক তরফা ভালবাসা। আর তারচেয়ে বড় কষ্ট হলো আপনি তাকে ভালবাসতেন সে জানত, এখনও ভালবাসেন কিন্তু সে জানে না”। ___ “কাউকে মন থেকে ভালবাসলে আপনিও তার কাছ থেকে আপনার মত ভালবাসা আশা করবেন, আর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটাও মনে রাখ…

" স্বার্থপর "

ছবি
" স্বার্থপর " " স্বার্থপর " সব ঠিকঠাক আর কই থাকে!!
প্রতিদিনই নিজেকে গুছিয়ে রাখতে
কতইনা ছল ছাতুরির আশ্রয় নিতে হয়;
ঘুনপোকা ঠিকই ঠের পেয়ে যায়..
অগুছালো করে দেয় খেয়ে গুঁড়ো করে।অদ্ভুত আচরণ মানুষের...
যতক্ষণ নিজের সব দিয়ে দিতে পারি,
ততক্ষণই যেন ভাল থাকার সময়,
ঠিক তখন মনের বাতায়নে
এলোমেলো বাতাসেরা খেলে যায় অগোচরে।
আর যখনই নিজের করে অথবা
স্বাধীনভাবে কিছু পেতে চাওয়ার আবেদন জানাই,
বাঁকা চোখে মানুষরা কিভাবে যেন তাকায়...
চোখে জ্বলে স্বার্থপরতার আগুন,
আর চোখে চোখ রাখা হয় না,
না হলে, নিজেকে পুড়িয়ে করতে হবে ছারখার;
ফিরিয়ে নিতে হয় চোখ, চোখ হতে,
পর হতে আর সময় লাগে না।
অবাক চোখে শুধু নীল প্রজাপতিদের ওড়াওড়ি দেখি,
আকষ্মিক উত্তর হতে ধমকা হাওয়া এসে
আবার সব করে দেয় এলোমেলো।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সবার জন্য পেনশন বিষয়ে ভাবছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

“ ভালো লাগছে-ভালো লাগছে, কেন তা বলতে পারিনা ”